বৃহস্পতিবার, ১৫ জুন, ২০২৩

মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা সহযেই। মৌসুমি ফলের ব্যবসা

আসসালামু আলাইকুম, সম্মানিত পাঠক আজকে আপনাদের মৌসুমি ফলের ব্যবসার বিস্তারিত আলোচনা করবো। এই ফলের ব্যবস্যা কয়েকটি প্রকারে করা যায়। নিচে তা বিস্তারিত আলোচনা করছি।

৩ (তিন) ভাবে আপনি মৌসুমি ফলের ব্যবস্যা করতে পারবেন।

১। সরাসরি কৃষকের নিকট হতে ক্রয় করে ব্যবস্যা করা।
২। মধ্যস্ততা পাইকারের নিকট হতে ক্রয় করে ব্যবসা।
৩। মধ্যস্থতা কোম্পানির নিকট হতে ক্রয় করে ব্যবসা  

১। সরাসরি কৃষকের নিকট হতে ক্রয় করে ব্যবস্যা করা: ধরুন আপনি আম/লিচু/আনারস এর ব্যবসা করতে ইচ্ছুক। সেক্ষেত্রে প্রথমে বিখ্যাত যায়গা চিহ্নিত করবেন। যেমন: আমের জন্য রাজশাহী, লিচুর জন্য দিনাজপুর, আর আনারসের জন্য মধুপুর। এরপর বিক্রয় যায়গা চিহ্নিত করবেন। যেমন: ঢাকা, বরিশাল,  চট্টগ্রাম, মাদারীপুর ইত্যাদি। 

সরাসরি কৃষকের নিকট হতে তিন ভাবে ক্রয় করতে পারবেন।
(ক) শুধু ফল পাইকারি ক্রয়।
(খ) ফলের বাগান ক্রয়।
(গ) ফল আসার পূর্বেই বাগান চুক্তিভিত্তিক ক্রয়।

তবে ফলের বাগান চুক্তিভিত্তিক ক্রয় করার জন্য অনুমান/ধারনাগত ক্ষমতা /বুদ্ধিবৃত্তিক হতে হবে। বাজার অবস্থান  দামের তারতম্য সব কিছুর হিসাব পুঙ্খানুপুঙ্খ রাখতে হবে। 

মঙ্গলবার, ১৭ জানুয়ারি, ২০২৩

২৬০০টাকা মুলধনে দৈনিক ১৪০০টাকা উপার্জন৷





বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম

 

২৬০০ টাকা ইনভেস্ট করে দৈনিক ১৪০০টাকা লাভের ব্যবসা৷

★★★আপনার হাতে মাত্র ২৬০০টাকা আছে কিন্তু দৈনিক ১৪০০টাকা অর্থাৎ মাসিক ৪২০০০টাকা ইনকাম করতে চান তবে আপনার জন্য এই ব্যবস্যা


·  ★★★আপনার ভবিষ্যৎ চিন্তা আপনি কোম্পানির মালিক হবেন তবে এই ব্যবস্যা আপনার জন্য


    ★★★আপনি যদি সবার অবহেলিত হন আর অনিশ্চয়তায় ভোগেন তাহলে এই ব্যবস্যা আপনার জন্য

 

মানুষিক ভাবে প্রস্ততি,

★প্রথমে সততা ন্যায়পরায়ণ হতে হবে

আপনার কর্ম নিয়ে লজ্জা পরিহার করতে হবে

★ আপনার দারাই সম্ভব এরকম লক্ষ্য নির্ধারন করতে হবে

  1. ·       অনেক পরিশ্রমী হতে হবে
  2. ·       আজকে যে কাজ করছেন আগামীকাল আপনার কাজ আরো বাড়িয়ে দেবেন তবে একই সময়ের মধ্য থেকে
  3. ·       কাজের জন্য কৌশল প্রনয়ণ করবেন
  4. ·       প্রচুর পরিমানে তথ্য সংগ্রহ করতে হবে
  5. ·       নিয়মানুবর্তিতা মেনে চলতে হবে
  6. ·       লেগে থাকুন
·       ধৈর্য ধরুন৷
  1. ·       কারো কথায় কান দিবেন না৷

ব্যবসায় পরিচিতি

মিশ্র ঝাল মুড়িঃ

·       মুড়ি ক্রয় ১০কেজি ভাল মানের মুড়ি ১০×৭০=৭০০টাকা

·       চানাচুর ক্রয় ৫কেজি ×১৫০=৭৫০টাকা (বর্তমানে এই চানাচুর পাইকারি দোকানে ১৫০টাকা কেজিতে পাবেন)

·       বুট ক্রয় ৫কেজি ×৭০=৩৫০টাকা আর ভাজা খরচ ৫০টাকা, মোট খরচ ৪০০টাকা৷

·       প্যাকেট ক্রয়(১০০০পিচ ২০০টাকায় পাবেন)

·       মোমবাতি ক্রয়(১০টির দাম ৫০টাকা)

·       ৪৷ মার্কেটিং খরচ ৫০০টাকা(যাতায়াতের ভাড়া খাওয়া বাবদ)

মোট খরচ=২৬০০টাকা

প্রতি - প্যাকেটের মূল্য -.৬টাকা খরচ

বিক্রয় প্রতি প্যাকেট পাইকারী -৪টাকা৷

চুরান্ত খুচরা মূল্য-৫টাকা৷

প্রতি প্যাকেট লাভ-১.৪টাকা৷

১০০০প্যাকেট লাভ ১৪০০টাকা৷

 

বিক্রয় মার্কেটঃ

·       মুদির দোকান৷

·       ছোট ছোট চাঁ স্টল

·       ব্যাকারির দোকান৷

একটি বাজারে কমপক্ষে ২৫টি দোকান আছেই ধরি এর মধ্যে ১০ দোকান নেবেনা কিন্তু ১৫টি দোকান নিবেই একটি দোকানে ৩০ প্যাকেট নেয় তবে ১৫টি দোকানে ১৫×২০=৪৫০প্যকেট বিক্রি হবে ৩টি বাজারে গেলে ৪৫০×=১৩৫০ প্যাকেট বিক্রি করা সম্ভব ১০০০প্যকেট ব্যপারই নয় ৩০কিঃমিঃ এর মধ্যে ৩টি বাজার পাবেন-ই সুতরাং, অনায়াসে শুরু করতে পারেন